সুহাইল আহমদ, জবি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র যাচাইবাছাই কার্যক্রম চলছে। প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে আগামী ২৩ নভেম্বর। এ দিকে যেসব কারণে প্রার্থীতা বাতিল হতে পারে তা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনের আচরণ বিধির ধারা ৪ অনুযায়ী, ফৌজদারী, আর্থিক, শিক্ষার্থী শৃঙ্খলাপরিপন্থী বা যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত শিক্ষার্থী প্রার্থী হতে পারবে না। ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য শাস্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী শাস্তির মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোটার ও প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য থাকবেন। তবে শাস্তি শেষ হলে এবং নিয়মিত শিক্ষার্থীর মর্যাদা ফিরে পেলে ভোটাধিকার ফিরে পাবেন। যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত শাস্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থী চিরস্থায়ীভাবে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তাঁরা ভোটারদের নাম, আইডি নম্বর ও তার প্রকাশিত ভোটার তালিকায় নাম আছে কিনা তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ছাড়া কোনো ভোটার একপদে একজনের বেশি সাপোর্ট করেছে কিনা—যাচাই করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান বলেন, চলতি সময়ে কোনো প্রার্থী শাস্তির মধ্যে থাকলে তার প্রার্থীতা বাতিল হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনের আচরণ বিধি আমরা শিক্ষার্থীদের পড়তে বলি। তাঁরা যাতে গণতন্ত্র কি তার জানতে পারে। কিন্তু দুঃখজনক ভাবে আমরা গণতন্ত্রের সঙ্গে কখনো পরিচিত হইনি। তাই নির্দেশনাগুলো মানতে পারি না। তবে প্রার্থী এবং ছাত্রসংগঠন সমূহ আমাদের সহায়তা করছে। ইনশাআল্লাহ নির্বাচন যথা সময়ে করতে পারবো।
