বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের কোনো পূর্ব নজির নেই। এমন পরিস্থিতিতে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজনে ইসির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের কোনো পূর্ব নজির নেই। এমন পরিস্থিতিতে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজনে ইসির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
ইতোমধ্যে নির্বাচনি আচরণবিধি, আরপিও সংশোধনী ও গণভোট অধ্যাদেশসহ প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন চলছে ভোটপ্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা। ডিসেম্বরে তফসিল ঘোষণার জন্যও প্রস্তুতির কমতি নেই কমিশনের। তবে প্রবাসীসহ প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার মূল চ্যালেঞ্জ এখনও বাকি। কমিশনের সক্ষমতা নিয়ে যত প্রশ্ন তারও ফলাফল মিলবে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে।
যদিও ইসির দাবি, দুটি ভোট একই দিনে করা চ্যালেঞ্জিং হলেও সক্ষমতা রয়েছে কমিশনের।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করা সম্ভব। ভোটকেন্দ্র বাড়ানো না গেলেও বুথের সংখ্যা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
নির্বাচন বিশ্লেষক আব্দুল আলীম চ্যানেল 24-কে বলেন, গণভোট প্রক্রিয়া নিয়ে ভোটারদের আগে থেকেই বিস্তারিত জানাতে হবে। এজন্য ব্যাপক জনসচেতনতা কার্যক্রম প্রয়োজন, যাতে ভোটাররা কম সময়েই ভোট বুঝে দিতে পারেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর প্রস্তুতি এবং ভোটের মাঠে সেনাবাহিনীর সক্রিয় অবস্থান নিশ্চিত করাকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, নাশকতা ঠেকাতে আগাম প্রস্তুতি জরুরি।
আরেক বিশ্লেষক জেসমিন টুলি বলেন, এক শ্রেণির মানুষের হাতে থাকা বিপুল কালো টাকা নির্বাচনে অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করেছে। পাশাপাশি থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র এখনো উদ্ধার না হওয়াও উদ্বেগের বিষয়। এই দুই উপাদান নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন। তাই কালো টাকা ও লুট হওয়া অস্ত্রের প্রভাব প্রতিরোধে ইসিকে নজরদারি জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনি আচরণবিধি মানাতে ইসিকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
কালো টাকা-লুটের অস্ত্র নির্বাচনের জন্য হুমকি হতে পারে বলছেন বিশ্লেষকরা
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের কোনো পূর্ব নজির নেই। এমন পরিস্থিতিতে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজনে ইসির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের কোনো পূর্ব নজির নেই। এমন পরিস্থিতিতে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজনে ইসির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
ইতোমধ্যে নির্বাচনি আচরণবিধি, আরপিও সংশোধনী ও গণভোট অধ্যাদেশসহ প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন চলছে ভোটপ্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা। ডিসেম্বরে তফসিল ঘোষণার জন্যও প্রস্তুতির কমতি নেই কমিশনের। তবে প্রবাসীসহ প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার মূল চ্যালেঞ্জ এখনও বাকি। কমিশনের সক্ষমতা নিয়ে যত প্রশ্ন তারও ফলাফল মিলবে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে।
যদিও ইসির দাবি, দুটি ভোট একই দিনে করা চ্যালেঞ্জিং হলেও সক্ষমতা রয়েছে কমিশনের।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যথাযথ পরিকল্পনার মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করা সম্ভব। ভোটকেন্দ্র বাড়ানো না গেলেও বুথের সংখ্যা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
নির্বাচন বিশ্লেষক আব্দুল আলীম চ্যানেল 24-কে বলেন, গণভোট প্রক্রিয়া নিয়ে ভোটারদের আগে থেকেই বিস্তারিত জানাতে হবে। এজন্য ব্যাপক জনসচেতনতা কার্যক্রম প্রয়োজন, যাতে ভোটাররা কম সময়েই ভোট বুঝে দিতে পারেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর প্রস্তুতি এবং ভোটের মাঠে সেনাবাহিনীর সক্রিয় অবস্থান নিশ্চিত করাকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, নাশকতা ঠেকাতে আগাম প্রস্তুতি জরুরি।
আরেক বিশ্লেষক জেসমিন টুলি বলেন, এক শ্রেণির মানুষের হাতে থাকা বিপুল কালো টাকা নির্বাচনে অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করেছে। পাশাপাশি থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র এখনো উদ্ধার না হওয়াও উদ্বেগের বিষয়। এই দুই উপাদান নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন। তাই কালো টাকা ও লুট হওয়া অস্ত্রের প্রভাব প্রতিরোধে ইসিকে নজরদারি জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।
এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনি আচরণবিধি মানাতে ইসিকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
