ঠাকুরগাঁওয়ে কলেজ ছাত্রীর আ/ত্ম’হ/ত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী হানাতুন নেছা কেয়া শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও হাজিপাড়ায় নিজ ঘরে (হোস্টেল) এ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর পেছনের কারণ জানা যায়নি।
কেয়া রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকার বাসিন্দা। পড়াশোনার সুবিধার জন্য সে ঠাকুরগাঁও সদর পৌর শহরের হাজীপাড়া এলাকায় একটি হোস্টেলে থাকতেন। স্থানীয়রা বলছেন, কেয়া শান্ত প্রকৃতির, মেধাবী এবং নিয়মিত পড়াশোনায় মনোযোগী ছিলেন।
ঘটনার খবর পেয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেন। পুলিশ জানায়, তদন্তের প্রাথমিক ধাপ শুরু হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য সকল দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্কুলের সহপাঠী ও শিক্ষকরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক সহপাঠী বলেন, “কেয়া খুব মেধাবী এবং বন্ধুবৎসল ছিল। এমনটা কখনো ভাবিনি।” স্কুলের শিক্ষকরা বলেন, “এটি আমাদের জন্য বড় ধাক্কা। শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ ও সহায়তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কেয়ার মৃত্যু পুরো এলাকায় শোক ও বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। সমাজকর্মীরা এই ঘটনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ, একাকীত্ব ও শিক্ষাব্যবস্থার চাপ নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তারা বলছেন, “শিশু ও কিশোরদের জন্য স্কুলে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।”
পুলিশ জানায়, পরিবারের বক্তব্য এবং মেসে (হোস্টেল) থাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাক্ষ্য সংগ্রহের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ফরেনসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।
এই ঘটনায় প্রশাসনও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে কলেজ ছাত্রীর আ/ত্ম’হ/ত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী হানাতুন নেছা কেয়া শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও হাজিপাড়ায় নিজ ঘরে (হোস্টেল) এ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর পেছনের কারণ জানা যায়নি।
কেয়া রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকার বাসিন্দা। পড়াশোনার সুবিধার জন্য সে ঠাকুরগাঁও সদর পৌর শহরের হাজীপাড়া এলাকায় একটি হোস্টেলে থাকতেন। স্থানীয়রা বলছেন, কেয়া শান্ত প্রকৃতির, মেধাবী এবং নিয়মিত পড়াশোনায় মনোযোগী ছিলেন।
ঘটনার খবর পেয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করেন। পুলিশ জানায়, তদন্তের প্রাথমিক ধাপ শুরু হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য সকল দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্কুলের সহপাঠী ও শিক্ষকরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক সহপাঠী বলেন, “কেয়া খুব মেধাবী এবং বন্ধুবৎসল ছিল। এমনটা কখনো ভাবিনি।” স্কুলের শিক্ষকরা বলেন, “এটি আমাদের জন্য বড় ধাক্কা। শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ ও সহায়তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কেয়ার মৃত্যু পুরো এলাকায় শোক ও বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। সমাজকর্মীরা এই ঘটনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ, একাকীত্ব ও শিক্ষাব্যবস্থার চাপ নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তারা বলছেন, “শিশু ও কিশোরদের জন্য স্কুলে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।”
পুলিশ জানায়, পরিবারের বক্তব্য এবং মেসে (হোস্টেল) থাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাক্ষ্য সংগ্রহের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ফরেনসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।
এই ঘটনায় প্রশাসনও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *