নিয়োগে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে শাখা ছাত্রদল। এ দাবিকে কেন্দ্র করে সংগঠনটি অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকের সামনে টানা ছয় ঘণ্টা এই কর্মসূচি চলে।
এসময় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা ‘বাহ ভিসি চমৎকার, নিয়োগের পাহারাদার’, ‘দালালি আর করিস না, পিঠের চামড়া থাকবে না’, ‘প্রশাসনের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘শিক্ষার নামে বৈষম্য চলবে না’, ‘শিক্ষার নামে নিয়োগ চলবে না’, ‘অবিলম্বে প্রশাসনের পদত্যাগ চাই’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
কর্মসূচি শেষে দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেয় ছাত্রদল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে আগামী রোববার থেকে কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণা দেয় সংগঠনের নেতারা।
অবস্থান কর্মসূচি শেষে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, আমরা বৈষম্যমুক্ত একটি ক্যাম্পাস প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু গত ১৫–১৬ মাসে প্রশাসন একটি বিশেষ গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে। সম্প্রতি নিয়োগের নামে দলীয়করণ ও আত্মীয়করণ করা হয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম প্রশাসন এসব নিয়োগের তথ্য প্রকাশ করবে, কিন্তু তারা তা করেনি। বরং কেউ কেউ বলেছে, এগুলো নাকি তাদের দেখার বিষয় নয়। তাহলে তাদের দেখার বিষয় কী?
তিনি আরও বলেন, আজ (বৃহস্পতিবার) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য অফিস করেননি। কেন তারা অফিসে আসেননি, এটা কি মনের দুর্বলতার কারণে? আমরা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিচ্ছি, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে রোববার থেকে আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাবো।
