ঝিনাইদহ-১ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সদ্য সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোনো ঋণ নেই। ঢাকার উত্তরা, ধানমণ্ডি ও সাভারে প্লট, ফ্ল্যাট ও জমি রয়েছে তার। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
হলফনামায় আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, তার বার্ষিক আয় ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা।
এর মধ্যে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ বছরে ১১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন। এ ছাড়া ব্যবসা থেকে ৭৩ লাখ ৩০ হাজার, শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত থেকে এক লাখ ৬৭ হাজার ২০১ টাকা ও পেশাগত আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ৩৮৬ টাকা। স্ত্রীর শেয়ার, বন্ড, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র থেকে ১৭ হাজার ৮০১ টাকা ও পেশা শিক্ষকতা থেকে বছরে পাঁচ লাখ ৬ হাজার ১৫৯ টাকা আয় দেখানো হয়েছে।
আসাদুজ্জামানের কাছে বর্তমানে নগদ ১৫ লাখ ৯ হাজার ৫৮২ টাকা রয়েছে।
এ ছাড়া ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার নিজ নামে গচ্ছিত রয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮৬ টাকা, বন্ড, শেয়ার কেনা আছে ৫২০০ টাকার ও ফিক্সড ডিপোজিট প্রায় ৩০ লাখ টাকার।
হলফনামায় নিজের ২০ ভরি সোনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেল। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক পণ্যের মূল্য ৬ লাখ টাকা, আসবাবপত্রের মূল্য ৪ লাখ টাকা ও স্ত্রীর নামে ফিক্সড ডিপোজিট দেখিয়েছেন ৩৩ লাখ টাকা।
অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানের অর্জনকালীন অস্থাবর সম্পদের আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ ৪ হাজার ৫৬৮ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৫ কোটি টাকা।
একইভাবে স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে, ৫১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪১ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য একই দেখানো হয়েছে।
মো. আসাদুজ্জামানের ঢাকার সাভারের বড় বরদেশী মৌজায় ৪৬২ শতাংশ জমি রয়েছে। যার মূল্য এক কোটি ৯ লাখ ৭১ হাজার ৬০০ টাকা। ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সম্পত্তি এখনো দখল বা সীমানা বুঝে পাননি বলে তিনি জানিয়েছেন।
ঢাকার উত্তরায় ৬ কাঠা জমিতে পাঁচ তলাবিশিষ্ট ভবন, একই এলাকায় ৫ কাঠা প্লটের ছয় তলাবিশিষ্ট ভবনের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেলের। যার মূল্য আট কোটি ১৫ লাখ ১১ হাজার ৬৪৮ টাকা। ধানমণ্ডিতে দুইটি ফ্ল্যাটের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে তার। যার আনুমানিক মূল্য ৫৭ লাখ ৯৮ হাজার ৬৭ টাকা।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা এলাকায় তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১.৮০ শতাংশ জমি, যা তার স্ত্রী পৈতৃক সূত্রে পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। এসব স্থাবর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৯ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৫ টাকা। বর্তমান মূল্য ১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ ৭৬৫ টাকা।
